ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে ক্রেতাসংকট দেখা দিয়েছে। কমেছে বেচাকেনাও। রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতায় বিক্রির সময় কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা।
অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ঝুঁকিতেও রয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে এ খাতের বিপুলসংখ্যক কর্মচারীর জীবন-জীবিকার ওপরও।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির হিসাবে, দেশে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী মালিক এবং তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এ জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারি করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ সোমবার সংগঠনের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ নভেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের জীবন-জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট, মার্কেট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ফিরবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি কমবে এবং কর্মসংস্থান রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ অবস্থায় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।