ঢাকা    শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক আজকের দিন

অর্থনীতি

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ঈদের আগেই নতুন নকশার নোট বাজারে আসবে। সেভাবেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নোট ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ঠিক কোন নোট কবে আসবে সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম না প্রকাশ করে আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, টাঁকশালে ২০ টাকার নোটের ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহে এ নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরের সপ্তাহে হস্তান্তর করা হবে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট। এসব নোট কবে বাজারে ছাড়া হবে তা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করবে।

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

বশিরউদ্দীন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা চান গরিবের হক চামড়ার যেন ন্যায্যমূল্য পায়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) আবারও বৈঠকে বসে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হবে। এবছর চামড়ার দাম গত বছর থেকে বেশি হবে বলেও জানান তিনি। বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বৈঠকে আমরা আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নির্ধারিত পশুর হাটের বাইরে পশু কেনাবেচা যেন না হয়। হাসিল ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া সরবরাহ ও চাহিদা নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছি আমরা।তিনি বলেন, দাম না পেলে আমরা প্রয়োজন হলে সরাসরি কাঁচা চামড়া রপ্তানি করব।এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে উপযুক্ত দাম পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন বশিরউদ্দীন।সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, এবছর সুষ্ঠু বাজার, পরিবহণ ও দামে সঠিক বাস্তবায়ন হবে।প্রাণির প্রতি যেন কোনো নৃশংসতা না হয় এবং কোনো ধরনের ক্ষতিকারক ওষুধ ব্যবহার করে প্রাণিকে মোটাতাজা না করা হয়, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি।  সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ জানান, পরিবহণে চাঁদাবাজি কমিয়ে আনতে পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ কাজ করবে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যরা জনগণকে সার্বিক সহায়তায় সচেষ্ট থাকবে। কেন্দ্রীয় সেল গঠন করা হবে এবং হটলাইন নাম্বার ও ৯৯৯-এ ফোন করেও অভিযোগ জানালে পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

এনবিআর ভাগ করায় রাজস্ব কমলেও পরিবেশ উন্নত হবে

দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব কৌশল (এমএলটিআরএস) চালু করেছে। এর লক্ষ্য হলো- ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করা। কৌশলটি বাস্তবায়নের আগে অতীতের সংস্কার পদক্ষেপগুলো কিভাবে এবং কেন সফল হয়নি তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) থেকে প্রকাশিত মে মাসের ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুকে এসব কথা বলা হয়েছে।প্রতিবেদনটি শনিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, জিডিপির শতাংশ হিসাবে বাংলাদেশের রাজস্ব তার সমকক্ষদের তুলনায় যথেষ্ট কম। ২০২৫ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত এই অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব সংগ্রহ গত অর্থবছরের তুলনায় কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মাত্র ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় করার সরকারের ইচ্ছা মূলত উচ্চ রাজস্ব সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে।মূল্যস্ফীতি বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমছে। এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা মার্চ মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। একইভাবে এপ্রিলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ হয়েছে। সরকারের গৃহীত সরবরাহ এবং চাহিদা- উভয় ক্ষেত্রের পদক্ষেপের ফলেই কমছে মূল্যস্ফীতি। চাহিদার দিক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থবছর-২৫ এর দ্বিতীয়ার্ধ থেকে কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে, যার লক্ষ্য মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল করা। এছাড়া চাল এবং ভোজ্যতেলের মতো প্রয়েজনীয় খাদ্যদ্রব্যের ওপর শুল্ক কমানোর মতো রাজস্ব নীতিগত পদক্ষেপগুলোও মুদ্রাস্ফীতির এ পতনে অবদান রেখেছে। বন্যা এবং অন্যান্য জলবায়ুগত ঘটনা না ঘটার কারণে মৌসুমি শাকসবজি এবং ফসলের প্রাপ্যতা সরবরাহের ক্ষেত্রে ইতিবাচক হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুনের শেষ নাগাদ ৭-৮ শতাংশের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্য অর্জনের জন্য এ ধরনের প্রচেষ্টা অপরিহার্য।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বহিরাগত খাতের চাপ কমেছে। তবে আগামী মাসগুলোতে স্থিতিশীলতা এবং প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য টেকসই প্রচেষ্টার ওপর জোর দিতে হবে। এদিকে এপ্রিলে রপ্তানি মূল্য এবং প্রবৃদ্ধি উভয় দিক থেকেই অর্থবছরের সর্বনিম্ন ছিল, যা ৩ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি বছরে মাত্র ০ দশমিক ৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি

এনবিআর ভাগ করায় রাজস্ব কমলেও পরিবেশ উন্নত হবে