উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদপোর্টাল ‘আত্রাই বার্তা’র ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।আজ ২৯ জুলাই (বুধবার) দুপুরে দিনাজপুরের রামসাগর রেস্ট হাউসে আলোচনা সভা, কেক কাটা, মধ্যাহ্নভোজ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।আত্রাই বার্তার সম্পাদক ও খানসামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাফফর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এবং দৈনিক খবর একদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক মোফাচ্ছিলুল মাজেদ।তিনি বলেন, "সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও জনস্বার্থ। অনলাইন গণমাধ্যমকে তথ্য পরিবেশনে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।"বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আতিউর রহমান আতিক বলেন, "তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অনলাইন গণমাধ্যম দ্রুত সংবাদ পৌঁছানোর বড় মাধ্যম। তবে দ্রুততার পাশাপাশি সত্যতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত করতে হবে।"অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ আলী, আলহাজ্ব ফারুক চৌধুরী, অনলাইন পোর্টাল ‘মাইনিং সিটি’র প্রকাশক ও ‘ভোরের পাতা’র দিনাজপুর প্রতিনিধি লিমন হায়দার, ফুলবাড়ী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ‘যুগান্তর’র ফুলবাড়ী প্রতিনিধি ইমাম রেজা এবং ‘গাজী টিভি’র জেলা প্রতিনিধি তনুজা শারমিন সহ উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সিকেন্দার আলী কাবুল। পরে অতিথিরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভা শেষে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আত্রাই বার্তার বার্তা সম্পাদক নেছারুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন পরিমল চন্দ্র দাস (পিসি দাস) ও মাসুদ রানা।এ সময় বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ওয়াহেদুর রহমান, দি Daily Morning Glory-র আবু কাওসার, খবর একদিনের সুমন চন্দ্র রায়, এমকে টেলিভিশনের কোয়াসিম সিদ্দিকী জনি, বিজয় টেলিভিশনের মেহেদী হাসান, বেলাল হোসেন ও রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
১ ঘন্টা আগে পড়ুনখানসামায় কৃষক কার্ড কার্যক্রম ও কৃষি প্রণোদনার উদ্বোধন
কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো ধরনের মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে ভবিষ্যতে সরকারি কৃষি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে তাদের কাছে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উপায়ে সরকারি কৃষিসেবা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়া। তাই তথ্য সংগ্রহের সময় প্রত্যেক কৃষককে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিতে হবে।বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির উৎপাদন ও আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ এবং কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা ও কৃষক কার্ড কর্মসূচিকে শতভাগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কৃষকদের দেওয়া বীজ ও অন্যান্য সহায়তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও সরকারি সহায়তার সঠিক ব্যবহারই কৃষির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কৃষক কার্ড কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়ন এবং পরে সারা দেশের কৃষকদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের জন্য জমির পরিমাণ, আবাদকৃত ফসলসহ সব তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। কোনো ধরনের মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তা ধরা পড়বে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। এজন্য তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি কৃষকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।হুইপ আরও বলেন, কৃষক কার্ড শুধু ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য নয়; বড় কৃষক, বর্গাচাষি ও চুক্তিভিত্তিক চাষিরাও এ কার্যক্রমের আওতায় আসবেন। একটি নির্ভুল কৃষক ডাটাবেজ তৈরি হলে কার কত জমি রয়েছে, কোথায় কী ফসলের আবাদ হচ্ছে এবং কী পরিমাণ কৃষি উপকরণ প্রয়োজন—এসব তথ্যের ভিত্তিতে সরকার পরিকল্পিতভাবে ভর্তুকি, কৃষি প্রণোদনা, কৃষিঋণ ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করতে পারবে। এতে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন আরও নিশ্চিত হবে।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের হাতে উন্নতমানের বিভিন্ন হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির বীজ এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার তুলে দিয়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম তুহিন, গোয়ালডিহি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন, বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম প্রধান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সাঈয়েদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বাবুল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষকরা।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উন্নতমানের হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির বীজ এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচসুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও কৃষি প্রণোদনা, কৃষি বীমা, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র সংগ্রহ এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিপণনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বাজারদর, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রশিক্ষণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্যও সহজে জানতে পারবেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, কৃষক কার্ড চালু হলে প্রকৃত কৃষক সহজেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রাইভেটকারে ১৬ হাজার ইয়াবা, গ্রেফতার ২
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকার তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার নাসিরাবাদ এলাকার মৃত আ. আজিজের ছেলে মো. ফিরোজ (৪৬) ও মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মৃত দুলাল গাজীর ছেলে মো. মিলন গাজী (৩৮)। দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে আমরা টোলপ্লাজা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার আটক করে তল্লাশি চালাই। এ সময় ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ কাটিয়ে উন্মুক্ত হচ্ছে ওপেনএআইয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল
মার্কিন সরকারের অনুরোধে এক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং উন্নত এআই মডেল ‘জিপিটি-৫.৬’ প্রকাশ্যে আনতে যাচ্ছে ওপেনএআই। শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার অপব্যবহার হতে পারে—এমন জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত মাসে এর মুক্তি স্থগিত করা হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন অত্যাধুনিক এআই মডেল তৈরির প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের প্রযুক্তি জটিল ও কয়েক দশকের পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল খাতগুলোতে অত্যন্ত পরিশীলিত ও বড় ধরনের সাইবার হামলাকে নাটকীয়ভাবে ত্বরান্বিত করতে পারে। চীন, রাশিয়া বা অন্যান্য দেশের সামরিক বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাতে এই উন্নত এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য ওয়াশিংটন উন্নত মডেলগুলোর মুক্তির ওপর স্ক্রিনিং বা নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, চীনা কর্তৃপক্ষও সেদেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে, যাতে চীনের সবচেয়ে উন্নত এবং এখনো মুক্তি না পাওয়া এআই মডেলগুলোর বিদেশি অ্যাক্সেস সীমিত করা যায়। আরও পড়ুনআরও পড়ুনএকই সময়ে সূর্যের আলো পাবে পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ এর আগে, গত ১২ জুন মার্কিন সরকারের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আদেশের পর ওপেনএআই-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ‘অ্যানথ্রপিক’ তাদের সবচেয়ে উন্নত মডেল—‘মিথোস ৫’ এবং ‘ফেবল ৫’ আকস্মিকভাবে সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল। তবে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সেফগার্ড নিশ্চিত করার পর গত সপ্তাহে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রশাসন ‘জিপিটি-৫.৬’ মডেলটি বড় পরিসরে উন্মুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। অবশ্য এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এতদিন ওপেনএআই কেবল অল্প কিছু যাচাইকৃত পার্টনারদের এই মডেলটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল, যাদের বিস্তারিত তথ্য সরকারের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছিল। ওপেনএআই গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানায়, তারা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল ‘জিপিটি-৫.৬’-এর পাশাপাশি কম খরচের দুটি সংস্করণ ‘টেরা’ এবং ‘লুনা’ বাজারে ছাড়বে। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই বুধবার (৮ জুলাই) ধনকুবের ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সএআই-এর তৈরি শীর্ষস্থানীয় এআই মডেল ‘গ্রোক ৪.৫’-ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স
শিল্পসেবার বিস্তারেও গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো কৃষিনির্ভর
দেশে শিল্পায়নের প্রসার, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং সেবা খাতের দ্রুত বিকাশের পরও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি এখনো কৃষি। খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, গ্রামীণ মানুষের আয় এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশই কৃষিকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত ‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৬’-এ সেই বাস্তবতাই নতুন করে উঠে এসেছে। বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান বর্তমানে ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ খাতে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লাখ ৭০ হাজার। ফলে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বাড়লেও দেশের অন্যতম বৃহৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে কৃষি এখনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির প্রবাহ সচল রাখতে কৃষির ভূমিকা অপরিহার্য। বিবিএসের এ প্রকাশনায় দেশের কৃষি খাতের একটি বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন, আবাদি জমি, ফলন, মৎস্য, গবাদিপশু, বন, ভূমি ব্যবহার, কৃষি উপকরণ, আবহাওয়া এবং কৃষিপণ্যের আমদানি-রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং কার্যকর কৃষিনীতি প্রণয়নে নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষগ্রন্থে দেশের ১৪৬টি প্রধান ও অপ্রধান ফসলের আবাদ, উৎপাদন ও ফলনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আউশ, আমন, বোরো, গম, আলু ও পাটের সর্বশেষ দুই বছরের এবং আরও ১৪০টি অপ্রধান ফসলের তিন বছরের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি, কৃষিশ্রমিকের মজুরি, সেচ, বীজ ও সার ব্যবহারের তথ্যও সংযোজন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের কৃষি উৎপাদন মূলত খরিফ ও রবি—এই দুই মৌসুম ঘিরে আবর্তিত হয়। খরিফ মৌসুমে ধানসহ বর্ষাভিত্তিক ফসল এবং রবি মৌসুমে গম, আলু, ডাল ও তেলবীজসহ শীতকালীন ফসল উৎপাদিত হয়। দেশের খাদ্য উৎপাদন ও কৃষি অর্থনীতিতে এই দুই মৌসুমের অবদানই সবচেয়ে বেশি। ফসল উৎপাদনের হিসাব নির্ধারণে বিবিএস মাঠপর্যায়ের সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং কৃষকের সাক্ষাৎকার—উভয় পদ্ধতির তথ্য ব্যবহার করেছে। প্রধান ফসলের ক্ষেত্রে দুটি উৎসের তথ্য মিলিয়ে চূড়ান্ত উৎপাদনের হিসাব নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত নমুনা জরিপ ও কৃষি শুমারির তথ্যও এতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশনায় দেশের ৩০টি কৃষি-বাস্তুতান্ত্রিক অঞ্চলের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। মাটির ধরন, ভূপ্রকৃতি ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে এসব অঞ্চল নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় জমিকে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যাতে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি পরিকল্পনা ও উপযোগী ফসল নির্বাচন সহজ হয়। বিবিএসের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়ন মূল্যায়ন এবং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান অপরিহার্য। যদিও বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো পাওয়া সব সময় সম্ভব হয় না, তবুও সেগুলো পুনর্গঠন করে প্রকাশনায় অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করা হয়। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মিজানুর রহমান বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় কৃষি খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাই খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়
০৮ জুলাই ২০২৬নবদম্পতির জন্য যেভাবে দোয়া করতেন নবীজি (সা.)
০৮ জুলাই ২০২৬কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো ধরনের মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে ভবিষ্যতে সরকারি কৃষি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে তাদের কাছে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উপায়ে সরকারি কৃষিসেবা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়া। তাই তথ্য সংগ্রহের সময় প্রত্যেক কৃষককে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিতে হবে।বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির উৎপাদন ও আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ এবং কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা ও কৃষক কার্ড কর্মসূচিকে শতভাগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কৃষকদের দেওয়া বীজ ও অন্যান্য সহায়তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও সরকারি সহায়তার সঠিক ব্যবহারই কৃষির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কৃষক কার্ড কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়ন এবং পরে সারা দেশের কৃষকদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের জন্য জমির পরিমাণ, আবাদকৃত ফসলসহ সব তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। কোনো ধরনের মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তা ধরা পড়বে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। এজন্য তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি কৃষকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।হুইপ আরও বলেন, কৃষক কার্ড শুধু ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য নয়; বড় কৃষক, বর্গাচাষি ও চুক্তিভিত্তিক চাষিরাও এ কার্যক্রমের আওতায় আসবেন। একটি নির্ভুল কৃষক ডাটাবেজ তৈরি হলে কার কত জমি রয়েছে, কোথায় কী ফসলের আবাদ হচ্ছে এবং কী পরিমাণ কৃষি উপকরণ প্রয়োজন—এসব তথ্যের ভিত্তিতে সরকার পরিকল্পিতভাবে ভর্তুকি, কৃষি প্রণোদনা, কৃষিঋণ ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করতে পারবে। এতে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন আরও নিশ্চিত হবে।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের হাতে উন্নতমানের বিভিন্ন হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির বীজ এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার তুলে দিয়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম তুহিন, গোয়ালডিহি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন, বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম প্রধান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সাঈয়েদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বাবুল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষকরা।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উন্নতমানের হাইব্রিড ও উফশী জাতের শাকসবজির বীজ এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচসুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও কৃষি প্রণোদনা, কৃষি বীমা, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র সংগ্রহ এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিপণনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বাজারদর, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রশিক্ষণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্যও সহজে জানতে পারবেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, কৃষক কার্ড চালু হলে প্রকৃত কৃষক সহজেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকার তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার নাসিরাবাদ এলাকার মৃত আ. আজিজের ছেলে মো. ফিরোজ (৪৬) ও মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মৃত দুলাল গাজীর ছেলে মো. মিলন গাজী (৩৮)। দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে আমরা টোলপ্লাজা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার আটক করে তল্লাশি চালাই। এ সময় ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মার্কিন সরকারের অনুরোধে এক মাস পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং উন্নত এআই মডেল ‘জিপিটি-৫.৬’ প্রকাশ্যে আনতে যাচ্ছে ওপেনএআই। শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার অপব্যবহার হতে পারে—এমন জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত মাসে এর মুক্তি স্থগিত করা হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন অত্যাধুনিক এআই মডেল তৈরির প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের প্রযুক্তি জটিল ও কয়েক দশকের পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল খাতগুলোতে অত্যন্ত পরিশীলিত ও বড় ধরনের সাইবার হামলাকে নাটকীয়ভাবে ত্বরান্বিত করতে পারে। চীন, রাশিয়া বা অন্যান্য দেশের সামরিক বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাতে এই উন্নত এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য ওয়াশিংটন উন্নত মডেলগুলোর মুক্তির ওপর স্ক্রিনিং বা নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, চীনা কর্তৃপক্ষও সেদেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে, যাতে চীনের সবচেয়ে উন্নত এবং এখনো মুক্তি না পাওয়া এআই মডেলগুলোর বিদেশি অ্যাক্সেস সীমিত করা যায়। আরও পড়ুনআরও পড়ুনএকই সময়ে সূর্যের আলো পাবে পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ এর আগে, গত ১২ জুন মার্কিন সরকারের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আদেশের পর ওপেনএআই-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ‘অ্যানথ্রপিক’ তাদের সবচেয়ে উন্নত মডেল—‘মিথোস ৫’ এবং ‘ফেবল ৫’ আকস্মিকভাবে সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল। তবে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সেফগার্ড নিশ্চিত করার পর গত সপ্তাহে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রশাসন ‘জিপিটি-৫.৬’ মডেলটি বড় পরিসরে উন্মুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। অবশ্য এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এতদিন ওপেনএআই কেবল অল্প কিছু যাচাইকৃত পার্টনারদের এই মডেলটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল, যাদের বিস্তারিত তথ্য সরকারের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছিল। ওপেনএআই গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানায়, তারা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল ‘জিপিটি-৫.৬’-এর পাশাপাশি কম খরচের দুটি সংস্করণ ‘টেরা’ এবং ‘লুনা’ বাজারে ছাড়বে। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই বুধবার (৮ জুলাই) ধনকুবের ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সএআই-এর তৈরি শীর্ষস্থানীয় এআই মডেল ‘গ্রোক ৪.৫’-ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স
দেশে শিল্পায়নের প্রসার, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং সেবা খাতের দ্রুত বিকাশের পরও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি এখনো কৃষি। খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, গ্রামীণ মানুষের আয় এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশই কৃষিকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত ‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৬’-এ সেই বাস্তবতাই নতুন করে উঠে এসেছে। বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান বর্তমানে ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ খাতে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লাখ ৭০ হাজার। ফলে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বাড়লেও দেশের অন্যতম বৃহৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে কৃষি এখনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির প্রবাহ সচল রাখতে কৃষির ভূমিকা অপরিহার্য। বিবিএসের এ প্রকাশনায় দেশের কৃষি খাতের একটি বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন, আবাদি জমি, ফলন, মৎস্য, গবাদিপশু, বন, ভূমি ব্যবহার, কৃষি উপকরণ, আবহাওয়া এবং কৃষিপণ্যের আমদানি-রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং কার্যকর কৃষিনীতি প্রণয়নে নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষগ্রন্থে দেশের ১৪৬টি প্রধান ও অপ্রধান ফসলের আবাদ, উৎপাদন ও ফলনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আউশ, আমন, বোরো, গম, আলু ও পাটের সর্বশেষ দুই বছরের এবং আরও ১৪০টি অপ্রধান ফসলের তিন বছরের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি, কৃষিশ্রমিকের মজুরি, সেচ, বীজ ও সার ব্যবহারের তথ্যও সংযোজন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের কৃষি উৎপাদন মূলত খরিফ ও রবি—এই দুই মৌসুম ঘিরে আবর্তিত হয়। খরিফ মৌসুমে ধানসহ বর্ষাভিত্তিক ফসল এবং রবি মৌসুমে গম, আলু, ডাল ও তেলবীজসহ শীতকালীন ফসল উৎপাদিত হয়। দেশের খাদ্য উৎপাদন ও কৃষি অর্থনীতিতে এই দুই মৌসুমের অবদানই সবচেয়ে বেশি। ফসল উৎপাদনের হিসাব নির্ধারণে বিবিএস মাঠপর্যায়ের সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং কৃষকের সাক্ষাৎকার—উভয় পদ্ধতির তথ্য ব্যবহার করেছে। প্রধান ফসলের ক্ষেত্রে দুটি উৎসের তথ্য মিলিয়ে চূড়ান্ত উৎপাদনের হিসাব নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত নমুনা জরিপ ও কৃষি শুমারির তথ্যও এতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশনায় দেশের ৩০টি কৃষি-বাস্তুতান্ত্রিক অঞ্চলের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। মাটির ধরন, ভূপ্রকৃতি ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে এসব অঞ্চল নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় জমিকে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যাতে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি পরিকল্পনা ও উপযোগী ফসল নির্বাচন সহজ হয়। বিবিএসের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়ন মূল্যায়ন এবং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান অপরিহার্য। যদিও বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো পাওয়া সব সময় সম্ভব হয় না, তবুও সেগুলো পুনর্গঠন করে প্রকাশনায় অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করা হয়। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মিজানুর রহমান বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় কৃষি খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাই খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
শিশু মাহফুজ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় ১৫ বছর আগে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া একই ধারায় মাহমুদা খানম উষার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এদিকে, মাহফুজকে অপহরণ করায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আসামি বিল্লাল শেখ, জামাল শেখ, রঞ্জু শেখ, শামীম শেখ ও মাহমুদা খানম উষার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের বাড়ি থেকে ভাটিয়াপাড়া রেলওয়ে জামে মসজিদে যাওয়ার পথে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ করেন আসামিরা। পরে তারা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে প্রায় দেড় মাস আটকে রাখার পর ২০১২ সালের ২০ আগস্ট রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাহমুদা খানম উষার বাড়িতে শিশুটিকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় ২০১২ সালের ৬ জুলাই মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো: নিজাম শিকদার আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার সিদ্ধান্তে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে ২৫ জনের মধ্যে ২৩ জন সাক্ষ্য দেন। সূত্র : বাসস
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতাদের একাংশ
রাজধানীর মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের আওতাধীন বিভিন্ন থানা এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২০ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পরিচালিত নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএমপির মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএমপি জানায়, মিরপুর মডেল থানা থেকে ৪১ জন, পল্লবী থানা থেকে ৪২ জন, কাফরুল থানা থেকে ৮ জন, দারুস সালাম থানা থেকে ৯ জন, শাহআলী থানা থেকে ৫ জন, ভাষানটেক থানা থেকে ৬ জন এবং রূপনগর থানা থেকে ৯ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য, বিভিন্ন নিয়মিত ও পূর্বের মামলার আসামি, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, মাদককারবারি ও মাদকসেবী রয়েছে। এছাড়াও অভিযানের সময় বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন থানার অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। মিরপুর ক্রাইম ডিভিশন জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং পলাতক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওদুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
অনুমোদিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
দীর্ঘ প্রায় অর্ধ দশক পর দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রদলের পাচঁ সদস্যের আংশিক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি মো: রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। কমিটিতে কৃষি অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মো: এহেসানুল কবির অর্ণবকে সভাপতি এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০২০ থেকে ২১ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচের মো: মাসুদ রানাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে কৃষি অনুষদের ২০১৬ থেকে ১৭ শিক্ষাবর্ষের মো: সানজিদুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ২০২১ থেকে ২২ শিক্ষাবর্ষের মো: রুকুনুর জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯ থেকে ২০ শিক্ষাবর্ষের রিদওয়ান হাসানকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আংশিক এই কমিটিকে আগামী ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্যও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।