ঢাকা    শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক আজকের দিন

রাজধানী

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট ছাত্রাবাসে ভয়ংকর টর্চার সেল

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান গাল্টু যুগান্তরকে জানান, তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের সহযোগী হিসাবে সড়কে কাজ করেন। ১৫ মে রাতে মহীউদ্দিন মাহি নামে এক শিক্ষার্থী তাকে ফোন করে আর্টস ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে তার আরও দুই বন্ধু ডিজাইন বিভাগের পঞ্চমবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন শাওন ও একই ব্যাচের প্রিন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী টিটু হোসেন মোল্লাকে আগে থেকেই আটক করে রাখা হয় মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে। গাল্টু সেখানে যাওয়ার পর হলের ৩১৮ নম্বর রুমে তিনজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনজনকে আলাদা করে নির্যাচন চালানো হয়। 

গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট ছাত্রাবাসে ভয়ংকর টর্চার সেল

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

তোফাজ্জলের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলা রং গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দনগরের আনসার ক্যাম্প বাজারের পাশে একটি ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় একই পরিবারের পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে আনা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিথিলা, যার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার বিকালে তানজিলা (৬৬ শতাংশ দগ্ধ) এবং রাতে মঞ্জুরা বেগম (৬৭ শতাংশ দগ্ধ) মারা যান। পরে বুধবার সকালে তোফাজ্জল হোসেন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ১১ বছরের তানিশা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

তোফাজ্জলের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলা রং গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দনগরের আনসার ক্যাম্প বাজারের পাশে একটি ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় একই পরিবারের পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে আনা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিথিলা, যার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার বিকালে তানজিলা (৬৬ শতাংশ দগ্ধ) এবং রাতে মঞ্জুরা বেগম (৬৭ শতাংশ দগ্ধ) মারা যান। পরে বুধবার সকালে তোফাজ্জল হোসেন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ১১ বছরের তানিশা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

শহিদ মিনারে তৃতীয় দিনের মতো পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের অবস্থান

তাদের সাত দফার মধ্যে রয়েছে– পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) চেয়ারম্যানের অপসারণ করতে হবে; এক ও অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরইবি-পবিস একীভূতকরণ অথবা দেশের অন্যান্য বিতরণ সংস্থার ন্যায় পুনর্গঠন করতে হবে; মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক এবং পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিত করতে হবে; মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে চাকরিচ্যুতদের পদে পুনর্বহাল করতে হবে; গ্রাহক সেবার স্বার্থে লাইনক্রুসহ সব হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল এবং বরখাস্ত ও সংযুক্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন করতে হবে; জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বা শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়নের জন্য অতি দ্রুত জনবলের ঘাটতি পূরণ করতে হবে এবং পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী বোর্ড গঠন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে।

শহিদ মিনারে তৃতীয় দিনের মতো পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের অবস্থান

সিগারেটের করকাঠামো সংস্কারের দাবি তরুণ চিকিৎসকদের

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চিকিৎসকরা বলেন, সিগারেটের চার স্তরের মূল্যব্যবস্থা নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম তামাক কর নীতিকে দুর্বল করছে। বিশেষত, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দামের ব্যবধান কম হওয়ায় ভোক্তারা সহজেই এক স্তর থেকে অন্য স্তরে চলে যেতে পারছেন। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে সেগুলোর দাম বাড়ানো হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও তরুণ প্রজন্ম ধূমপান থেকে বিরত থাকবে, পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।তরুণ চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাবিত কর ও মূল্য কাঠামো হলো নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৯০ টাকা নির্ধারণ; উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা; প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১৯০ টাকা নির্ধারণ। একই সঙ্গে সিগারেটের খুচরা মূল্যের ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ অপরিবর্তিত রাখা। তামাক নিয়ন্ত্রণে বিড়ি ও অন্যান্য তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিরও সুপারিশ করা হয়।  ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি জানানো হয়।  জর্দা ও গুলের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১০ গ্রামে খুচরা মূল্য ৫৫ টাকা ও ৩০ টাকা নির্ধারণ করে ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি তোলা হয়।সন্ধানী ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল অ্যান্ড আপডেট ডেন্টাল কলেজ ইউনি

সিগারেটের করকাঠামো সংস্কারের দাবি তরুণ চিকিৎসকদের