ঢাকা    শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক আজকের দিন

কবিতা

একটি হারানো বিকেলের গল্প!

একটি হারানো বিকেলের গল্প!

চেনা চেনা এই পথগুলো আমাকে বলে—তোমার ছায়া কি এখনও পড়ে এই ইট-ধুলোয়?যেখানে প্রতিটি মোড়ে রয়ে গেছে,আমাদের চুপ করে হাঁটার শব্দ!আমরা কি আবার নতুন করে পরিচিত হতে পারি?ঠিক যেমন প্রথমবার তোমাকে দেখেছিলাম!যেমন হঠাৎ বাতাসে উড়ে আসা আমার চুল সরিয়ে, তুমি বলেছিলে, "ভালো থেকো"।এই শহর জানে, আমি এখনও থেমে যাইহঠাৎ "তোমার নাম"- শুনলেই কারও ঠোঁটে!এই আকাশ, এই বাতাস, এই গন্ধ—সব যেন চুপিচুপি বলে যায়,সে একদিন ফিরে আসবেই....আমরা কি পারি আবার হারিয়ে যেতে?একটি রৌদ্র দুপুরের ছায়ায় দাঁড়িয়ে,কিংবা একটি হারানো বিকেলের গল্পে,যেখানে অভিমানও ছিল ভালোবাসার ছায়া,আর "বিদায়" শব্দটি শুধু একটি ভুল উচ্চারণ!

এসব আর কি প্রয়োজন?

ভোগ্যপণ্যে আর লোভ নেই, যা মেলে খুচরো পয়সায় অথবা জোটে অল্প কায়িক শ্রমে;  তাতে আর বিন্দুমাত্র লোভ নেই!আজকাল আমার ক্ষুধা নেই,মৌনতার মাত্ত্রাতিরিক্ত রোগ খেয়ে নিয়েছে যৌনতার অনুষঙ্গ; বৈপরীত্যে আকর্ষণের আগমন ধ্বনি নেই!বিলম্বিত প্রদেয় পরিশোধের কারণেহারিয়েছি ভরসাস্থল, তাই-বর্ধিত বিল দিয়ে জীইয়ে রাখা শুধু  মানবদেহ; দেখলাম- একটি দেহ সুরক্ষার কোনো সুজন নেই!তাই ভোগ্যপণ্যে আমার আর লোভ নেই,এখন কবিতা দিয়ে শুধু হৃদয় ছুঁয়ে দেই; রমনীর অনামিকায় ঠোঁটের সন্নিবেশ না হোক- তবু শুধু ধোঁয়ার মতো হোক ছোঁয়াছুঁয়ি নাকে-মুখে!ভোগ্যপণ্যের ভারে পৃথিবীতে বাড়ে শুধুই বৈষয়িক ওজন,হয়তো সে কাছে আসে, 

এসব আর কি প্রয়োজন?

শীতের রাতে

শীতের রাতে পিঠা খেয়ে- ফিরছিল অনীক অঞ্জন সুমিত; একমনে গাইছিল গান সমীর আর অমিত!পথের ধারে ঝোপের মাঝে ডাকলো যেন কেউ, আবছায়ায় মনে হলো মেয়েটির রং কালো; গঠন-গড়ন শ্যামলা তবে তার মুখটি বেশ ভালো! শীতের রাতে মুখটি দেখাচ্ছে সকরুণ-মলিন, অবাঞ্চিত সৌন্দর্য বর্ধনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা; ওসব কি আর চোখে পড়ে-যার আছে যৌনতেষ্টা!সম্বল সেই মেয়েটির শুধুই শরীর,  কম্বল পায়না যে কোনোদিনও তার গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না ধাপ পরা যেন শেকল পায়ে!রাস্তার কোনে ঝোপের আড়ালে,সন্ধ্যা থেকেই দেয় সে কত উঁকিঝুঁকি; স্বপ্ন আর শখ নিয়ে তার নেই কোনো আঁকাবুকি! শীতের রাতে পিঠা খেয়ে গীত বন্দনা গেয়ে- ফিরছে অঞ্জন সুজন সুমিত; গাইছিল গান তখন সমীর অনিক কবির অমিত! পথপাশের মেয়েটি স্বল্পবসনা সম্বল শুধুই শরীর,  কম্বল সে কোনোদিনও পায়নি গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না তার ধাপ, পরা যেন শেকল পায়ে! আমার মনে হলো হয়তো দেখেছি কোথাও, কোনো এক দুপুরে বাবলা গাছের ছায়ায়; 

শীতের রাতে

শীতের রাতে

শীতের রাতে পিঠা খেয়ে- ফিরছিল অনীক অঞ্জন সুমিত; একমনে গাইছিল গান সমীর আর অমিত!পথের ধারে ঝোপের মাঝে ডাকলো যেন কেউ, আবছায়ায় মনে হলো মেয়েটির রং কালো; গঠন-গড়ন শ্যামলা তবে তার মুখটি বেশ ভালো! শীতের রাতে মুখটি দেখাচ্ছে সকরুণ-মলিন, অবাঞ্চিত সৌন্দর্য বর্ধনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা; ওসব কি আর চোখে পড়ে-যার আছে যৌনতেষ্টা!সম্বল সেই মেয়েটির শুধুই শরীর,  কম্বল পায়না যে কোনোদিনও তার গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না ধাপ পরা যেন শেকল পায়ে!রাস্তার কোনে ঝোপের আড়ালে,সন্ধ্যা থেকেই দেয় সে কত উঁকিঝুঁকি; স্বপ্ন আর শখ নিয়ে তার নেই কোনো আঁকাবুকি! শীতের রাতে পিঠা খেয়ে গীত বন্দনা গেয়ে- ফিরছে অঞ্জন সুজন সুমিত; গাইছিল গান তখন সমীর অনিক কবির অমিত! পথপাশের মেয়েটি স্বল্পবসনা সম্বল শুধুই শরীর,  কম্বল সে কোনোদিনও পায়নি গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না তার ধাপ, পরা যেন শেকল পায়ে! আমার মনে হলো হয়তো দেখেছি কোথাও, কোনো এক দুপুরে বাবলা গাছের ছায়ায়; 

শীতের রাতে