ঢাকা    শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক আজকের দিন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

র্তমান ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে 'জিমেইল' একটি অত্যন্ত পরিচিত নাম। একসময় যেকোনও ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আলাদা করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হত, আর এখন অনেক ক্ষেত্রেই ‘লগ ইন উইথ জিমেইল’ অপশনেই সেরে ফেলা যায় কাজ। কিন্তু জিমেইল ব্যবহারের এই সহজতাই কখনো কখনো নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।জিমেইল এবং হ্যাকিংকোনো ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে জিমেইল দিয়ে লগ ইন করার অর্থ, সেখানে আপনার জিমেল আইডিটি সিঙ্কড হয়ে থাকছে। একের পর এক লগ ইনের পরে অনেক সময়েই মনে থাকে না কোথায় কোথায় ব্যক্তিগত ইমেল আইডিটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ইমেল আইডির নিরাপত্তা বলয় কমে যায়। দীর্ঘদিন কোনো ওয়েবসাইটে ইমেল আইডি অব্যবহৃত থাকলে, তখন হ্যাকারেরা সেই আইডিকে নিশানা করে। ফলে আপনার মূল্যবান জিমেইল আইডিটিও হ্যাক্ড হতে পারে। তার ফলে ওই ইমেলের যাবতীয় তথ্য হ্যাকারেরা হাতিয়ে নিতে পারে।পাশাপাশি থার্ড পার্টি বা পরিচিত নয় এ রকম কোনো ওয়েবসাইটে ইমেলের মাধ্যমে লগ ইন করার অর্থ সেই আইডি তাদের সার্ভারেও জমা থাকছে, যা ইমেল আইডিকে বিপদের সম্মুখীন করতে পারে।অনেক সময়েই প্রয়োজনে সাইবার ক্যাফে বা অন্য কারো মোবাইল বা ল্যাপটপে জিমেল ব্যবহার করতে হতে পারে। ধরা যাক, তার পর কেউ লগ আউট করতে ভুলে গেলেন। তা হলে কিন্তু অন্য কোনো ব্যক্তি চাইলে অ্যাকাউন্টটিকে ব্যবহার করতে পারেন!এখন অনেকেই ঘন ঘন মোবাইল ফোন পরিবর্তন করেন। বাড়িতে একাধিক গ্যাজেটের মধ্যেও জিমেইল আইডি লগড ইন থাকে। পুরনো অব্যবহৃত ফোন বা কোনো টিভি বা ল্যাপটপেও কিন্তু ইমেল আইডি সিঙ্কড হয়ে থাকে। তাই আপনার জিমেইল কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।গুগলের সুরক্ষাকবচজিমেল কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে তা জানার জন্য গুগল নিজেই আইডিটি ট্র্যাক করে। আপনার ইমেল যাতে সুরক্ষিত থাকে তার জন্য গুগল ট্র্যাকিংয়ের পাশাপাশি ওই আইডিটি কোন কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হচ্ছে বা কবে কখন লগ ইন করা হয়েছে, সেটিও নজরে রাখে গুগল।

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে স্টারলিংকের সেবা কার্যক্রম শুরুর পর এটি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে মানুষ। চলুন জেনে নেই স্টারলিংকের পরিষেবা নিয়ে খুঁটিনাটি। অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে-স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। স্টারলিংক রেসিডেন্সের মাসিক খরচ ৬ হাজার টাকা, রেসিডেন্স লাইটের খরচ ৪ হাজার ২০০ টাকা। সেটাপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পীড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এম্বিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ কীভাবে পাবেনস্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংক সংযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল। এটি সেটআপ করা অত্যন্ত সহজ। প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটির ফাঁকা জায়গায় আকাশের দিকে মুখে করে স্থাপন করতে হবে।তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কীভাবে স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন। বাংলাদেশে এখনো স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক পেতে হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামের দুটি অপশন পাবেন।রেসিডেনশিয়ালে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের স্থান নির্বাচন করতে হবে। তবে সরকার ‘রোম’, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ সেবার অনুমোদন এখনো দেয়নি। এখানে প্রথমে আপনার ঠিকানা দিয়ে সেখানে এই সেবা পৌঁছাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।এরপর চেকআউট অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরে ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি সার্ভিস প্ল্যান বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরো সেট গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে।স্টারলিংকে ৩০ দিনের একটি ট্রায়াল অপশনও রয়েছে। পরবর্তিতে গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে পুরো টাকা রিফান্ড নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশে এই সুযোগ এখনই আসছে কি না তা জানতে আর একটু সময় লাগতে 

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

মহাকাশের সুপারকম্পিউটার, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করল চীন

চীনের এডিএ স্পেস, ঝিজিয়াং ল্যাবরেটরি এবং নিঝিয়াং হাই-টেক জোন এ স্যাটেলাইটগুলো নির্মাণ করেছে। প্রতিটি স্যাটেলাইটে রয়েছে ৮ বিলিয়ন প্যারামিটারের এআই মডেল এবং ৭৪৪ TOP/s গতিতে ডেটা বিশ্লেষণের ক্ষমতা। বর্তমানে উৎক্ষেপণকৃত স্যাটেলাইটগুলো একসঙ্গে POP/s গতিতে কাজ করতে পারছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এসব স্যাটেলাইট নিজেদের মধ্যেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, ফলে পৃথিবীতে তথ্য পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে।স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি যেমন এক্স-রে পোলারাইজেশন ডিটেক্টর, যা গামা রশ্মির বিস্ফোরণের মতো তীব্র কসমিক ঘটনা শনাক্ত করতে পারে। এগুলো ১০০ গিগাবিট/সেকেন্ড গতিতে লেজার লিংকের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ টেরাবাইট ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এসব স্যাটেলাইট থ্রিডি ডিজিটাল টুইন ডেটা তৈরিতেও সক্ষম, যা ব্যবহার করা যাবে জরুরি সেবা, গেমিং, স্মার্ট ট্যুরিজমসহ নানা ক্ষেত্রে।সাধারণত কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের মাত্র ১০ শতাংশ ডেটা পৃথিবীতে পৌঁছায়। কারণ ব্যান্ডউইথ সীমিত এবং স্থলভিত্তিক স্টেশনও পর্যাপ্ত নয়। তবে মহাকাশে নিজস্ব তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে এই সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে।

মহাকাশের সুপারকম্পিউটার, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করল চীন

স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব, খাপ খাওয়াতে কতটুকু প্রস্তুত আপনি?

২০২৫ সালের পর আমরা এক স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রবেশ করছি, যেখানে সচেতন নাগরিকদের জন্য কিছু প্রযুক্তি জানা ও ব্যবহার করা হবে অপরিহার্য। নিচে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জেনারেটিভ এআইএআই এখন কেবল কাজের বিকল্প নয় মানুষের চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকে শক্তিশালী করেছে। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি এর মতো এআই টুল আমাদের লেখালেখি, ডিজাইন, গবেষণা এমনকি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে এআই আমাদের জীবনের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হয়ে যাবে।কোয়ান্টাম কম্পিউটিংএই প্রযুক্তি বর্তমানে প্রায় অসম্ভব গাণিতিক সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে, নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাবে। এটি হবে ভবিষ্যতের সুপারকম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।ব্লকচেইন, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ওয়েব৩

স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব, খাপ খাওয়াতে কতটুকু প্রস্তুত আপনি?

গুগল ম্যাপে চমকপ্রদ নতুন ফিচার, স্ক্রিনশট থেকে খোঁজ মিলবে লোকেশনের

চিনতে, ট্রাফিক জানতেও এ অ্যাপটি আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। এবার আরও চমকপ্রদ এক ফিচার যুক্ত হয়েছে এতে। স্ক্রিনশট থেকে সরাসরি লোকেশন খুঁজে পাওয়ার সুবিধা!ধরুন, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ঘাঁটতে ঘাঁটতে একটি রেস্টুরেন্ট বা সুন্দর কোনো জায়গার ছবি দেখলেন। জায়গাটির নাম ঠিক বুঝতে পারলেন না, তাই স্ক্রিনশট নিয়ে রাখলেন পরে খুঁজবেন বলে। এখন আর খুঁজতে হবে না। গুগল ম্যাপ নিজেই সেই স্ক্রিনশট বিশ্লেষণ করে লোকেশন বের করে দেবে।এ কাজটি সম্ভব হয়েছে গুগলের এআই প্রযুক্তি ‘জেমিনি’-র কারণে। স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা টেক্সট বা ভিজ্যুয়াল ইনফরমেশন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুগল ম্যাপ শনাক্ত করতে পারবে আপনি কোন জায়গার কথা জানতে চাচ্ছেন। এরপর আপনাকে জানাবে সে জায়গাটি সংরক্ষণ করতে চান কি না। আপনি অনুমতি দিলেই তা সেভ হয়ে যাবে আপনার গুগল ম্যাপ লিস্টে।এ ফিচার ব্যবহারের জন্য আইফোনে ইনস্টল করা গুগল ম্যাপ অ্যাপটি আপডেট করে নিতে হবে। এরপর ‘You’ ট্যাবে গিয়ে ‘Screenshots’ নামে একটি নতুন প্রাইভেট লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখানে প্রবেশ করলেই একটি ডেমো দেখিয়ে দেবে কীভাবে কাজ করবে এ ফিচারটি। ব্যবহারকারীকে চিন্তা না করেই জায়গা খোঁজার সুবিধা এনে দিয়েছে এ ফিচার। ডিজিটাল যুগে তথ্য পাওয়ার এ স্বাচ্ছন্দ্য গুগল ম্যাপকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।

গুগল ম্যাপে চমকপ্রদ নতুন ফিচার, স্ক্রিনশট থেকে খোঁজ মিলবে লোকেশনের

ফেসবুকে ডিলিট হওয়া পোস্ট ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

আসলে, কোনো পোস্ট মুছে ফেললে তা সঙ্গে সঙ্গে চিরতরে মুছে যায় না। বরং এটি ফেসবুকের ‘রিসাইকেল বিন’ নামের একটি গোপন ফোল্ডারে সংরক্ষিত থাকে ৩০ দিন পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে চাইলে আপনি পোস্টটি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।পোস্ট ফিরিয়ে আনতে চাইলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-১. স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাপ চালু করুন।২. উপরের বাম পাশে থাকা নিজের প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করে প্রোফাইল পেজে যান।৩. এবার ডান পাশে ওপরের কোণে থাকা তিনটি ডট আইকনে চাপ দিন।৪. মেনুতে গিয়ে ‘অ্যাক্টিভিটি লগ’ অপশনে ট্যাপ করুন।৫. ওপরে থাকা সেকশনগুলো ডানে স্ক্রল করে ‘রিসাইকেল বিন’ খুঁজে বের করে তাতে ট্যাপ করুন।৬. এখানে আপনি গত ৩০ দিনের মধ্যে ডিলিট করা সব পোস্টের তালিকা দেখতে পাবেন।৭. যে পোস্টটি ফিরিয়ে আনতে চান, সেটির পাশে থাকা চেকবক্সে ট্যাপ করুন।৮. এরপর নিচে থাকা ‘রিস্টোর’ বাটনে ট্যাপ করলেই পোস্টটি আপনার প্রোফাইলে ফিরে আসবে। চাইলে ‘আর্কাইভ’ অপশনে রেখে পরেও ব্যবহার করতে পারবেন।এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে খুব সহজেই ডিলিট হয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। সুতরাং ভুলে কিছু মুছে গেলেও আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, ফেসবুক আপনাকে সে সুযোগ দিচ্ছে।

ফেসবুকে ডিলিট হওয়া পোস্ট ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে