ঢাকা    বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক আজকের দিন

রাজনীতি

মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলেই গ্রেফতার: এমপি খোকন

মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলেই গ্রেফতার: এমপি খোকন

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী সদর-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলেই তাদেরসহ গ্রেফতার করা হবে। এ ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। বুধবার (৮ জুলাই) নরসিংদী পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামারগাঁও শাহী ঈদগাহ মাঠে এলাকাবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খায়রুল কবির খোকন বলেন, একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ ও শান্তিতে থাকার জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এলাকার মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আমাদের দলের কোনো নেতাকর্মী মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজীসহ কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ব্যাপারে ডাবল অ্যাকশন হবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকের পক্ষে যারা তদবির করবে, তাদেরসহ গ্রেফতার করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক। এই মাদকের কারণে দেশের যুবসমাজ ও তরুণ সমাজ আজ ধ্বংসের প্রান্তে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিহাদ ঘোষণা করব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদক নির্মূলে আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করব। নরসিংদী জেলা বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন, নরসিংদী মডেল থানার ওসি এ আর এম আল মামুন, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী ভূইয়া, জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম আজাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদ, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন খান এবং সাবেক কাউন্সিলর রোকনোজ্জামান রোকনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতারা।

ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।  বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সিনিয়র তথ্য অফিসার (জনসংযোগ কর্মকর্তা) মো. রেজুয়ান খান। এর আগে মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া থেকে নিজেদের জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সব জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে সর্বাত্মক পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানান। ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এই উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন এবং আমাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি কঠিন এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি বিশেষ জোর দেন। উল্লেখ্য, ৪২ বছরের রেকর্ড ভেঙে হওয়া এই ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে চরম জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে বিমান ও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়কে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল সংসদে পাস হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এতে লাভ-ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। যখন এখান থেকে আয় করার ইচ্ছা থাকবে, স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে। বাজেটে জনগণের পকেট খরচ কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এই বিল তার বিপরীত। জাতীয় সংসদে আজ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল-২০২৬ নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে বিল নিয়ে ওই কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা। শফিকুর রহমান আরও বলেন, এ ধরনের কোম্পানি শেয়ার করতে আসলে আগামীতে একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি হবে। এর মাধ্যমে জনগণের প্রাপ্তির চেয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রাপ্তি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আপনি একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক। বিলটি কেবল উপস্থাপিত হয়েছে। বিবেচনার সময় আপনাকে দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে, তখন পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করবেন। অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সভার নোটিশ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘সকাল ১০টায় মিটিং, আর আমাকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে ৯টা ১৯ মিনিটে! ১০টা ১৯ মিনিটে সভাপতির পিএস ফোন করে বলেন মিটিং চলছে। গুরুত্বপূর্ণ কমিটির মিটিংয়ের খবর কি মেসেজে হয়? ম্যাজিক জানা না থাকলে এই অল্প সময়ে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়। আমাকে যথাসময়ে খবর দেওয়া হলো না কেন?’ সংসদ সদস্যের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার সংশ্লিষ্ট বিশেষ কমিটির সভাপতিকে ভবিষ্যতে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেন।

চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের মানববন্ধন

রাজধানীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত আহ্বান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সব গণহত্যার বিচার দাবিতে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের ন্যাম ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত মানববন্ধনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত, পঙ্গুত্ববরণকারী এবং জুলাই যোদ্ধারা অংশ নেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়া বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মো. সেলিম উদ্দিন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা.আবদুল ওহাব মিনার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, লেবার পার্টির মহাসচিব খন্দকার মিরাজ হোসাইন, ডেভেলপমেন্ট পার্টির দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম, জাগপার ঢাকা মহানগর সভাপতি আসাদুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও নাজিম উদ্দীন মোল্লাসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন স্তরের নেতারা। মানববন্ধনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির এখন প্রধান সঙ্কট হলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া। এটা যদি বাস্তবায়ন না হয়, এই সঙ্কট বাংলাদেশের রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, স্পিকারের কাছে দেয়া স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতার সাথে আলোচনা করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তার দাবি, স্পিকার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকার জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছেন। একই সাথে তিনি সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন। এর আগে শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়াসহ পাঁচজন নারী সংসদ সদস্য এবং ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের মানববন্ধন

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির মামলায় রাশেদ খান মেনন গ্রেপ্তার

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর বুধবার এ আদেশ দেওয়া হয়। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে রাশেদ খান মেননকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান গত ৩০ জুন মেননকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৮ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমী। দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, অনিয়ম ও প্রতারণার মাধ্যমে পূর্বপরিচিত ১৩ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাশেদ খান মেননসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিধিমালা অনুযায়ী ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও বিশেষ গভর্নিং কমিটি অবৈধভাবে নিয়োগ বোর্ড গঠন করে। ওই বোর্ডে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বা তার প্রতিনিধি এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক রাখা হয়নি। এছাড়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ সনদ বাধ্যতামূলক থাকলেও তা ছাড়াই প্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া এক প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। এমনকি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই নিয়োগপত্র ও যোগদানপত্র ইস্যু করা হয়। এ মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলটির সাবেক অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সাবেক সদস্যসচিব অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর হোসেন, গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য মাহবুব উর রহমান, মো. আবুল হোসেন, মীর মোশাররফ হোসেন, জহিরুল ইসলাম খান, শ্যামলী হোসেন, মাহমুদা সুলতানা, আয়শা সিদ্দিকা, নাসরিন আফরোজ, মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, তুহিন বিশ্বাস, মো. বজলুর রহমান, মো. রাসেল, মো. হারুন-অর-রশিদ খান, মো. মোশারফ হোসেন, উৎপল বিশ্বাস, এ কে এম মাসুদ রানা এবং মো. আরিফুল ইসলাম। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। জুলাই আন্দোলন দমনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক হত্যা মামলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলাতেও তার বিচার চলছে।

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির মামলায় রাশেদ খান মেনন গ্রেপ্তার

সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেয় না যুবদল: আবদুল মোনায়েম মুন্না

যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। কোনো রকম বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে যুবদল প্রশ্রয় দেয় না। তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সারা দেশে জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রায় ৩০০ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার দায়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এ সব কথা বলেন। ভবিষ্যতেও এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে না। সংগঠনের সুনাম ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এমন কঠোর নীতি ও ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’ সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিট ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান আবদুল মোনায়েম মুন্না। তিনি উল্লেখ করেন, দ্রুতই সাংগঠনিক টিম গঠন করে তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মূলত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচিই নয়, যুব সমাজকে সামাজিক কার্যকমে উদ্বুদ্ধ করতে যুবদলের নানা পরিকল্পনার কথা জানান সভাপতি। সংবাদ সম্মেলনে যুবদল-সংশ্লিষ্ট যেকোনো খবর প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, সহসভাপতি রেজাউল কবীর পল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেয় না যুবদল: আবদুল মোনায়েম মুন্না

জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে: আখতার হোসেন

ছাত্র-জনতার জুলাই গণআন্দোলন নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানী কাকরাইলের আইডিইবি মাল্টিপারপাস হলে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত এক সেমিনার এ কথা বলেন।  ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শিরোনামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘এই বাংলাদেশে কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। নির্বাচন এবং বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছিল। জুলাইয়ে আমরা যেই আন্দোলন করেছিলাম এর ২টি উদ্দেশ্য ছিল; আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং আওয়ামী কায়দা বা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা। হাজার হাজার মানুষের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই নতুন বাংলাদেশ।’ আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘সংস্কারের পক্ষে বিএনপি শুরু থেকেই গড়িমসি করে আসছে, সেই ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা থেকেই। ভোটের পিয়ার অনুযায়ী উচ্চকক্ষ তারা মানবে না, নতুন বিচারিক প্রক্রিয়া, পিএসসি, দুদক নিয়োগসহ বেশ কিছু সংস্কার মানতে নারাজ তারা।’ জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিষয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘অতিদ্রুত গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। অনেকেই মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে প্রকাশ্যে জুলাইকে কটূক্তি করছে। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।’    

জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে: আখতার হোসেন